Showing posts with label ফরেক্স বেসিক. Show all posts
Showing posts with label ফরেক্স বেসিক. Show all posts

Tuesday, February 19, 2013

Posted by EARN MONEY ONLINE
| 12:25 PM
ফরেক্স এমন একটি যায়গা যেখানে ৯০% লোক ই লস করে ! কারন এক্টাই না জেনে ট্রেড করা ফরেক্স এর লাভ করার জন্য প্রয়জন হল শেখা, প্র্যক্টিস, অধ্যবসায় । অনেকে হয়ত মনে করতে পারেন অনেক বেসি টাকা নিয়ে ট্রেড করলে লস হওয়ার সম্ভাভনা অনেক কম এটি ভুল ধারনা পুজি এর উপর নয় ট্রেডিং শেখা, প্র্যক্টিস, অধ্যবসায় ইত্যাদি এর উপর লাভ লস নিরভর করে । ফরেক্স মার্কেট এমন ই এক জায়গা যেখানে মার্কেট নিয়ন্ত্রন করা কারো পক্ষে সম্ভব না তবে লস নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব । আসুন ফরেক্স ট্রেড করতে গিয়ে আমরা কিছু সাবধানতা অবলম্বন করি।
 
১। বেসিক থেকে শুরু করুন।
খুব সহজে বলতে হয় যে একজন ট্রেডার হতে হলে প্রথমে আপনাকে ফরেক্স মারকেট বেসিক টার্মগুলো জানতে হবে। রেগুলার অর্থাৎ ডেইলি বেসিসে আপনি আস্তে আস্তে বিষয় গুলো শিখবেন কোন রকম তাড়াহুড়ো ছাড়া। একদিনে একসাথে সব গুলো বিষয় শিখে বিশাল জ্ঞানী হওয়ার চিন্তা বাদ দিন। সময় নিন , খুব বেশি এক্সসাইটেড হবেন না।

২। দ্রুত লাভ করার চিন্তা ত্যাগ করুন, অভিজ্ঞতা তৈরি করে আস্তে আস্তে লাভ করতে শিখুন।
আপনি যদি ভেবে থাকেন যে ফরেক্স হল শর্টকাটে এবং কম সময়ে ধনী হওয়ার একমাত্র পথ তাহলে আপনি ভুল করছেন। প্রথমে বিষয়টা ভালো ভাবে আয়ত্তে আনুন অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। শুধু মাত্র ফরেক্স নয় যেকোন ক্যারিয়ারে আপনি যত সময় ব্যয় করবেন আপনি তত বেশি লাভবান হবেন। আপনার বন্ধু যে সময়ে ১০০ পিপস অর্জন করে ঠিক একই সময়ে আপনি মাত্র কয়েক পিপস মেইক করেন, পার্থক্যটা কি? পার্থক্যটা হল অভিজ্ঞতা ! আপনার বন্ধু গত ৫ বছর ধরে ট্রেড করে আর আপনি সেই কয়েকদিন হল শুরু করেছেন।
মনে রাখবেন ফরেক্স হল একটি ক্যারিয়ার , রাতারাতি বড়লোক হওয়ার কোন স্কিম নয়।

৩। এক্সপার্ট হউন।
শিখার শুরুতে অনেকে প্রথমেই খুজে বেড়ান এক্সপার্টদের, ভাবেন একজন এক্সপার্ট এর ছায়া পেলে বুঝি অল্প সময়ে আপনিও এক্সপার্ট হয়ে উঠবেন, বিষয়টা পুরোপুরি অস্বীকার করছি না। তবে এক্সপার্ট হওয়ার সুপ্ত বাসনায় আপনার এক্সপার্ট হওয়ার পথে একধাপ। দিনে দিনে আপনার স্বাভাবিক শিখার ফলাফলই হচ্ছে এক্সপার্ট এর আরেক রুপ। কারন অভিজ্ঞতার আলোকেই এক্সপার্ট হওয়া যায় তাই নিজ অভিজ্ঞতা গুনে আপনার স্বপ্ন সফল করুন। এক্সপার্ট এর অভিজ্ঞতা তার সম্পূর্ণ নিজের আপনি যতক্ষণ পর্যন্ত নিজে ঐ পথ পাড়ি দিবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত তা কেবল আপনার স্বপ্নই থেকে যাবে।

৪। নিজের এনালাইসিস ব্যাবহার করুন।
অন্ধের মত আরেকজনকে ফলো করা আপনাকে অন্ধই করে তুলবে। আপনার লক্ষ্য হল একজন সফল ট্রেডার হওয়া তাই এনালাইসিস মেথডগুলো ভালো ভাবে রপ্ত করে নিজেই নিজের ট্রেড এনালাইসিস করুন। নিজের আনালাইসিসে ট্রেড করতে সমর্থ হলে আপনার এনালাইসিসই আপনাকে প্রফেশনাল ট্রেডার করে তুলবে। স্ব – ঘোষিত কোন গুরুকে অন্ধের মত ফলো করলে গুরু যখন তার টিপস প্রদান বন্ধ করে দিবে তখন আপনি কিভাবে ট্রেড করবেন। তাই নিজেই নিজের গুরু হুউন।

৫। ডেমো
সব কথার শ্রেষ্ঠ কথা হল ডেমো ট্রেডিং। ডেমো ট্রেডিং আপনাকে আপনার নতুন ট্রেডিং এর ভুল গুলো ধরিয়ে দিবে এবং ট্রেডিং এ খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে সাহায্য করবে। ডেমো ট্রেড ভিবিন্ন ব্রোকারের লাইভ ট্রেড থেকে সুপার যেমন ভালো আক্সিকিউশন স্পীড। প্রত্যেক ট্রেডিং মেথড এর টেস্ট হল ডেমো। ডেমো সাকসেস রেইট ভালো হলে তা লাইভ ট্রেডে ব্যাবহার করুন। আপনার যত স্টাইল আছে তা সর্বপ্রথম ডেমোতে ব্যাবহার করুন। যেমন ইচ্ছে ট্রেড গুলো ডেমোতে ফলান। তারপর সিলেক্ট করুন কোন স্ট্রেটিজি গুলো রিয়েল ট্রেডে ব্যবহার করুন।

৬। ভুল থেকে শিখুন
প্রতিবারের টেস্ট ট্রেড গুলোর সাকসেস এবং ফেইলার নোট নিন। পরপর তিনটি ব্যর্থ ট্রেডে কিছু সময়ের জন্য (আরো বেশি হতে পারে) ট্রেড থেকে অবসর নিন। এবং ব্রেকের পরে ঠান্ডা মাথায় আবার সময় দিন। তিনবার লস ট্রেডিং মেথড এ চতুর্থ বারের সাকসেস চিন্তা করে লাইভ করতে জাবেন না। লস ট্রেডগুলো নিয়ে এনালাইসিস শুরু করেন, ভুলটা কোথায় ছিল বা কেনো ঠিক কাজ করেনি। যথাঝথ কারন বের করে ভুল গুলো শুদ্রে পরবর্তী ট্রেডে অগ্রসর হউন।

৭। ভালো মেথড তৈরি করুন।
নতুন বেশিরভাগ ট্রেডাররা প্রথমে লস করে। কারন হল অধিক উত্তেজনা, অতিরিক্ত চাহিদা এবং প্রপার সময়ের আগে ট্রেড করা। তাই বলছি, অধিক পরিমানে উত্তেজিত হয়ে ট্রেড না করে, আগে বিষয়গুলো ভালোভাবে আয়ত্তে আনুন, অভিজ্ঞতা নিন এবং মিনিমাম রিস্কে ট্রেড শুরু করুন। প্রতিবার ট্রেড করার পূর্বে ঠিক করুন এবং চেক করে নিন ট্রেডিং হাতিয়ার(স্ট্রেটিজি) ঠিক আছে কিনা। ট্রেডটি থেকে কত আশা করেন ইত্যাদি সবকিছু।

৮। নিজের মেথডে স্ট্রিক থাকুন।
প্রত্তেক ট্রেডিং মেথডের ভালো এবং খারাপ আছে। কোন ট্রেডিং মেথডই ১০০% প্রফিটেবল নয়। আপনার ট্রেডিং মেথডের ১০টি ট্রেডের মধ্যে ৭টি প্রফিট এবং ৩ টি লস আছে, আপনি সাকসেস। কখনো আপনার ট্রেডিং সাকসেস রেইট আরো কমে জেতে পারে সেই ক্ষেত্রে নিরাশ বা উত্তেজিত না হয়ে মারকেট চেঞ্জ বুঝে স্ট্রেটিজি আপডেট করুন এবং নিজের স্ট্রেটিজিতে স্ট্রিক থাকুন কারন আপনার স্ট্রেটিজি কতটুকু ফলফ্রুস তা কেবল আপনিই জানেন।

৯। সবকিছু সহজভাবে চিন্তা করুন।
আপনার ট্রেডিং কে কোনভাবেই খুব বেশি কঠিন ভাবার কোন কারন নেই। সহজ ভাবে শুরু করুন দেখবেন আসলেই সহজ, মনে অঝথা কোন ভিতি সৃষ্টি দরকার নেই। নিজের সুবিধামত সময় নির্ধারণ করে ট্রেডে সময় দিন। সময় কম দিন কিন্তু তা জেনো ইফেক্টিভ হয়। অর্থাৎ যদি সময় বেশি দিতে না পারেন তাহলে যতটুকু দিবেন তা শুধু ট্রেডিং আর জন্য ব্যায় করুন। নতুন কোন স্ট্রেটিজির সূচনা করতে চাইলে আগে তা সময় নিয়ে সহজভাবে চিন্তা করুন, এনালাইসিস করে ঠিক করুন, ডেমোতে ফলাফল নিশ্চিত হউন। এবং সিদ্ধান্ত নিন।

১০। একটি পেয়ারে ট্রেড করুন।
অনেকগুলো ট্রেড একসঙ্গে শুরু করে নিজের রিস্ক লেভেল এবং মাথায় অতিরিক্ত চাপ নিবেন না। তাই শুধুমাত্র একটি পেয়ার পছন্দ করুন ট্রেডিং আর জন্য। অনেক গুলো কারেন্সিই একসাথে ট্রেডের উপযোগী বলে মনে হতে পারে, কিন্তু ঐ কারেন্সি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করুন যার সম্পর্কে আপনার ধারনা ভাল। একসাথে যদি ৪-৫টি পেয়ার নিয়ে ট্রেড করেন তাহলে আপনি ভালভাবে কোন পেয়ারের ক্যারেক্টার বুঝতে পারবেন না। এবং মিসগাইড হয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রেড লস করবেন।

১১। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড করুন।
একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে ট্রেড প্রাকটিস করবেন , কারন সিঙ্গেল টাইমফ্রেমে ট্রেডের অনেকগুলো সুবিধা আছে যেমন, একক টাইমফ্রেমে ট্রেডিং এ আপনি পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন যেখানে অনেকগুলো টাইমফ্রেম আপনাকে কিছুটা হলে কনফিউসড করতে পারে। একটি টাইমফ্রেম আপনাকে এনালাইসিসে ও হেল্প করবে প্রপার ডিসিশন নিতে, কারন একই চার্ট ভিন্ন ভিন্ন টাইমফ্রেমে ভিন্ন ভিন্ন এনালাইসিস আর সূচনা করবে, তাই বিশেষ করে নতুনদের জন্য একটি টাইমফ্রেমে ট্রেডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।

১২। ট্রেডিং চার্ট পরিষ্কার রাখুন।
অনেক নতুন ট্রেডাররা মনে করে চার্টে যত বেশি ইনডিকেটর রাখা যায় তত ভালো, আসলে বিষয়টা এমন নয়, চার্টে ২-৩টির বেশি ইন্ডিকেটর রেখে চার্টকে এলোমেলো করে ট্রেডিং করাটা বুদ্ধিমানের কাজ নয় বরং অনেকগুলো ইনডিকেটর আপনাকে মিসগাইড করবে, আপনি ডিসিশন নিতে পারবেন না, তাই ২-৩ টি ইন্ডিকেটর আর ক্যারেক্টার বুঝে অভিজ্ঞতার আলোকে ফাইনাল করুন। মুলত ট্রেডে ইন্ডিকেটর ব্যবহার আপনার জন্য বাধ্যতামূলক নয়, এটা শুধুমাত্র ব্যবহার হয় আপনার ট্রেডিং ডিসিশনকে স্মুথ করার জন্য। কারন অনেক অনেক ট্রেডার আছে যারা কোন ইন্ডিকেটর ব্যবহার না করেই ট্রেডিং সাকসেস রেইট ৮০% এ ট্রেড করছে। আপনাকে বলছি না যে আপনি সব ইন্ডিকেটর রিমুভ করে ট্রেড করুন, ভালো ট্রেডার হতে হলে প্রথম পর্যায়ে আপনাকেও ২-৩টি ইন্ডিকেটর ব্যবহার করতে হবে। ভালো ট্রেডিং আর জন্য সাপোর্ট অ্যান্ড রেসিসটেনস লাইন গুলো ভালোভাবে বুঝুন।
Posted by EARN MONEY ONLINE
| 12:19 PM

টেকনিক্যাল এনালিসিসঃ

টেকনিক্যাল এন্যালিসিস মানে হলো চার্ট. আপনি আগে প্রাইস কিভাবে মুভ করেছে সেটা দেখে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেয়ার চেষ্টা করবেন। চার্টে কি কি দেখবেন?
সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ হলো ট্রেন্ড বের করা। এটি সবচেয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ কিন্তু সবচেয়ে অবহেলিত। নতুন ট্রেডার রা লস করে কারণ তারা ট্রেণ্ডের বিপক্ষে খেলে (ট্রেড করে)। এটি কখনো করা যাবেনা। ফুলস্টপ। এটা নিয়ে আর কোনো কথা নয়, কোনো বিতর্ক নয়। পরিসংখ্যান বলে, ৯০% ট্রেডার লস করে, ৫% লাভ ও করেনা, লস ও করেনা, সমান সমান থাকে। আর ৫% লাভ করে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো বাংলাভাষী ট্রেডারদের এই এলিট ৫% এর মধ্যে রাখা।
চার্ট দেখে ট্রেন্ড কিভাবে বের করবেন?
চার্ট-১

যেকোন ট্রেডিং পেয়ারের চার্ট খুলুন (৪(চার( ঘন্টার) চার্ট)। এবার আপনার আশেপাশে তিন-চার বছরের কোন বাচ্চা থাকলে তাকে জিজ্ঞেস করুন এটা উপরের দিকে না নীচের দিকে যাচ্ছ? সে যদি বলে উপরের দিকে তাহলে ট্রেন্ড হলো আপ। আপ ট্রেণ্ডে কখনো সেল করবেন না। সবসময় বাই করার জন্য সুযোগ খুঁজবেন। একেবারে উপরে বাই না করে কিছুটা ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করে তারপর বাই করবেন। তেমনি ডাউন ট্রেন্ডে কখনো বাই করবেন না; সেল করার জন্য সুযোগের অপেক্ষা করবেন। চার্ট-১ ও ২ দেখে বলুন কোনটি আপ ট্রেন্ড ও কোনটি ডাউন ট্রেন্ড?
চার্ট-২

চার্টে দ্বিতীয় যে বিষয়টি লক্ষ করবেন সেটি হলো, সাপোর্ট ও রেজিস্টেন্স। সাপোর্ট হলো ঘরের মেঝে (floor)-এর মতো, লক্ষ করবেন এর নীচে প্রাইস সহজে যেতে পারছেনা। এতএব, প্রাইজ মেঝের কাছাকাছি আসলে বাই করতে হবে। আর রেজিস্টেন্স হলো ঘরের ছাদের (ceiling) মতো। খেয়াল করবেন প্রাইস এর উপরে সহজে যেতে পারছেনা। এতএব, প্রাইজ ছাদের কাছাকাছি আসলে সেল করতে হবে। চার্ট-৩ দেখুন এবং মেঝে ও ছাদ লক্ষ করুণ।

চার্ট-৩

কোথায় সেল করতে হবে সেটি ঘর ১ এ দেখানো হয়েছে। এখন ছোট একটি কুইজঃ প্রাইজ যখন পয়েন্ট ক তে আসলো তখন কি করতে হবে? কোথায় টেক প্রফিট নিতে হবে? কোথায় স্টপ লস দিতে হবে?





চার্ট টাইপ-ক্যান্ডলস্টিক
অনেক প্রকারের চার্ট আছে তবে আমরা প্রধাণতঃ ক্যান্ডেলস্টিক (মোমবাতি) টাইপটি ব্যবহার করবো। জাপানী চাউল ব্যবসায়ী(রা) আঠারো শতকে এটি উদ্ভাবন ও ব্যবহার করেন চাউল ট্রেড করার জন্য। স্টিভ নেলসন এক জাপানী ব্রোকারের কাছ থেকে এই 'গোপন টেকনিক' শেখে। স্টিভ নেলসন এটি নিয়ে পড়াশোনা, রিসার্চ করেন ও এটি নিয়ে বিস্তর লেখালেখি করেন ফলশ্রুতিত
ে ৯০ এর দশকে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তাহলে ক্যান্ডেলস্টিক কি? ছবির সাহায্যে এটি বোঝা যাকঃ
চিত্রঃ ক্যান্ডেলস্টিক
ক্যান্ডেলস্টিকে চারটি পয়েণ্ট থাকে ওপেন (open), হাই (high), লো (low), ও ক্লোজ(close).

ক্লোজ যদি ওপেনের উপরে হয় তাহলে দাম বাড়ছে এবং খালি/সাদা/সবুজ বডি দ্বারা দেখানো হয়।
ক্লোজ যদি ওপেনের নীচে হয় তাহলে দাম কমছে এবং ভর্তি/কালো/লাল বডি দ্বারা দেখানো হয়।
বডির উপরের সুতার উপরের পয়েন্ট হলো মূল্যের সর্বোচ্চ পয়েন্ট
বডির নীচের সুতার নীচের পয়েন্ট হলো মূল্যের সর্বনিম্ন পয়েন্ট

ক্যান্ডেলস্টিক যেকোন টাইমফ্রেমে যেমনঃ দিন, চার-ঘন্টা, বা পনেরো মিনিট, ব্যবহার করা যায়। একটি নির্দিষ্ট টাইমফ্রেমে 'প্রাইজ একশন' ক্যান্ডেলস্টিক দেখে বোঝা যায়।

ক্যান্ডেলস্টিক প্যাটার্নস
যখন একটিমাত্র ক্যান্ডেলস্টিক বিশ্লেষণ করবো তখন এই প্যাটার্নগুলো চিনতে পারলে ট্রেড সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবেঃ

স্পিনিং টপসঃ ক্যান্ডেলস্টিক যার সুতাগুলি লম্বা কিন্তু বডি ছোট তাকে স্পিনিং টপ বলে। বডি খালি না ভর্তি বা বডির রঙ কেমন তা গুরুত্ত্বপূর্ণ নয়। এই প্যাটার্ন 'সিদ্ধান্তহীনতা' নির্দেশ করে। অর্থাৎ ক্রেতা (বুল) ও বিক্রেতা (বেয়ার) কেউই বেশ-কিছুটা প্রাইজ বাড়াতে বা কমাতে পারছেনা।

তাহলে আপট্রেন্ডের সময় যদি একটি স্পিনিং টপ দেখি তাহলে বুঝতে পারবো খুব সম্ভবত আর বেশী ক্রেতা নেই (বা ক্রেতা বিক্রেতা প্রায় সমান আছে)। ট্রেণ্ড তখন ঘুরে যেতে (রিভার্সাল) হতে পারে। বিশেষ করে স্পিনিং টপ যদি রেজিস্টেন্সের (ছাদের) কাছে বা অন্য কোন গুরুত্ত্বপূর্ণ ফিবোনাচ্চি লেবেলে (ফিবোনাচ্চি লেবেল কি তা আমরা পরে শিখবো) দেখি তাহলে বাই করা থাকলে সেখানে ট্রেড থেকে বের হয়ে যেতে হবে (বা/ও উল্টা দিকে সেল পজিশন নিতে হবে)। ডাউন্ট্রেন্ডের দিকে স্পিনিং টপ পেলে সেল পজিশন ক্লোজ করতে হবে বা/ও বায় (buy) করতে হবে।

মারুবজু
জাপানী শব্দ এই জন্য শুনতে এরকম। এর মানে শুধু বডি আছে সুতা নেই। স্পিনিং টপে সুতা বেশি ছিলো এই জন্য সেটি সিদ্ধান্ত হীনতা বোঝাচ্ছিল। এখানে কোন সুতা নেই অর্থাৎ সিদ্ধান্ত নিতে কোন সমস্যা নেই। সাদা মারুবজু মানে শুধু ক্রেতা আছে, বিক্রেতা নেই। তাহলে এওকম মারুবজু দেখলে বায় করতে হবে (এটা ধরে নিয়ে যে পরের টাইম পিরিয়ডেও ক্রেতারা রাজত্ত্ব করবে)। ব্লাক/রেড মারুবজু মানে সেল করতে হবে কারন কোন ক্রেতা নেই শুধু বিক্রেতা আছে।
Posted by EARN MONEY ONLINE
| 12:15 PM
জারা গত পর্বের পোস্টটি পরেছেন তারা হয়ত ফরেক্স কি তা অনেকটা বুঝে গেছেন (মানে সাধারন ধারনা পেয়েছেন) এখন জানবো কিসের উপর ভিত্তি করে ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সিধান্ত হয় মূলতঃ দু'টি জিনিসের উপর ভিত্তি করেঃ ১. ফান্ডামেন্টাল এনালিসিস, ২. টেকনিক্যাল এনালিসিস

কোনটা ভালোঃ

এই প্রশ্নটা অনেকটা ডিম আগে না মুরগী আগে?-এর মতন। অর্থাৎ এব্যাপারে নানা মুনির নানা মত। তবে একটি ব্যাপারে সবাই একমত যে কারেন্সি ট্রেড করার জন্য ফান্ডামেন্টাল এনালিসিস ও টেকনিক্যাল এনালিসিস দুটোই কিছু কিছু জানতে হবে।


ফান্ডামেন্টাল এনালিসিসঃ
এটি মূলতঃ কোন দেশের ইকোনমির (এছাড়া রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ইত্যাদি) সাথে সম্পর্কযুক্ত। যদি কোন দেশের ইকনমির শনৈ শনৈ উন্নতি করে, রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল হয় তবে সেদেশের মূদ্রাও খুব সম্ভবতঃ বেশী আকর্ষণীয় হবে, সে দেশের উপর অন্য দেশের আস্থা বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ সেদেশের মূদ্রার দাম বৃদ্ধি পাবে।

উদাঃ সম্প্রতি অষ্ট্রেলিয়ান ডলারের দাম বেড়েছে কারণ অন্যান্য দেশের তূলনায় অষ্ট্রেলিয়ার ইকনমি ভালো করছে। ইকনমি ভালো হতে থাকলে, ব্যাঙ্ক ইন্টারেস্ট রেট ও বাড়ে (মূল্যস্ফিতি মোকাবেলা করার জন্য)। একচুয়ালি সম্প্রতি অষ্ট্রেলিয়া তাদের জমার উপর ব্যাঙ্ক ইন্টারেষ্ট রেট ও বাড়িয়েছে যার ফলে অষ্ট্রেলিয়ান ডলারের দাম আরো বৃদ্ধি পেয়েছে (কারণ অনেকেই ইউএস ডলার বেচে অষ্ট্রেলিয়ান ডলার কিনে ব্যাঙ্কে রাখতে চাইবে ৪.৫% লাভ পাওয়ার জন্য। ইউ এস ডলার ব্যাঙ্কে রাখলে এখন ০.২৫% লাভ পাওয়া যায়) । এথেকে ফাণ্ডামেণ্টাল এনালিসিস সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেল।
Posted by EARN MONEY ONLINE
| 11:04 AM
ফরেক্স বর্তমানে অনলাইনে আয় নিয়ে কথা বলতে গেলে ই সবচেয়ে আলচিত বিসয় হিসাবে বেরিয়ে আসা নাম। আসলে কি এই ফরেক্স অনেক এর ই সঠিক ধারনা নেই ফরেক্স নিয়ে কেউ কেউ কিছু জানেন কেউ কেউ ভুল জানেন আবার কেউ কেউ খুব ভাল এ জানেন এবং তাদের ইনকাম ও অনেক যা সুনলে আপনাদের হয়ত মাথা খারাপ হয়ে যাবে। অনেকে মনে করেন ফরেক্স মানে হলো কারি কারি টাকা রাতারাতি কটিপতি আর তার ফলে যা হওয়ার তাই হয় লস ! ফরেক্স এমন একটি যায়গা যেখানে ৯০% লোক ই লস করে ! কারন এক্টাই না জেনে ট্রেড করা ফরেক্স এর লাভ করার জন্য প্রয়জন হল শেখা, প্র্যক্টিস, অধ্যবসায় । অনেকে হয়ত মনে করতে পারেন অনেক বেসি টাকা নিয়ে ট্রেড করলে লস হওয়ার সম্ভাভনা অনেক কম এটি ভুল ধারনা পুজি এর উপর নয় ট্রেডিং শেখা, প্র্যক্টিস, অধ্যবসায় ইত্যাদি এর উপর লাভ লস নিরভর করে । ফরেক্স কিভাবে শুরু করব, ফরেক্স কি কেন , বিভিন্ন ট্রেডার এর অভিজ্ঞতা আলচনা, ইত্যাদি নিয়ে আমাদের এই ব্লগ আশা করে আপনাদের উপকার এ আসবে।

ফরেক্স কি?

ফরেক্স হলো ফরেন এক্সচেঞ্জ। এটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মার্কেট। এখানে প্রতিদিন ৪ ট্রিলিয়ন (১৫০০ বিলিয়ন এ ১.৫ ট্রিলিয়ন) ডলারের অধিক লেনদেন হয়। পৃথিবীর সবগুলি শেয়ার মার্কেট মিলেও প্রতিদিন এত লেনদেন হয়না। নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জের একদিনের গড় লেনদেন ৩০ বিলিয়ন ডলার। যেহেতু মার্কেটটি এত বড়, কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এমনকি রাষ্ট্রও এককভাবে সহজে একে নিয়ন্ত্রিত করতে পারেনা।

ফরেক্স ট্রেড করতে কি কি দরকার?

(দ্রুত) ইন্টারনেট কানেকশন সহ একটি কম্পিউটার ও প্রাথমিক পর্যায়ে ১ হাজার (আরও কম হলেও করা যাবে) ডলারের মত পুঁজি।
১০০০ ডলার দিয়ে শুরু করলেও লেভারেজের কারণে কেনাবেচা করা যাবে অনেক বেশী পরিমাণের। বেশীরভাগ ব্রকারই ১:২০০ (বা তার চেয়ে বেশি) লেভারেজ দেয় অর্থাৎ ১০০০ ডলার বিনিয়োগ করে ২০০,০০০ (দুলাখ) ডলার পর্যন্ত কেনাবেচা করা যাবে। মনেরাখা দরকার, লেভারেজ আপনার পক্ষে কাজ করতে পারে আবার বিপক্ষেও কাজ করতে পারে। উদাহরণঃ মনে করুণ আপনি ২ লাখ EUR/USD কিনলেন। এখন এই ট্রেড যদি পক্ষে যায়, অর্থাৎ ইউরোর দাম যদি ডলারের সাপেক্ষে বাড়তে থাকে তাহলে প্রতি পিপে আপনি ২০ ডলার করে লাভ করছেন এবং ৫০ পিপ বাড়লে আপনার ১০০০ ডলার লাভ হবে। তেমনি ৫০ পিপ যদি ইউরোর দাম কমে অর্থাৎ ট্রেড যদি আপনার বিপক্ষে যায় তাহলে একাউন্ট শূণ্য হয়ে যাবে।



এখানে আমরা তিনটি নতুন শব্দের সাথে পরিচিত হয়েছি, ব্রকার, লেভারেজ ও পিপ ফরেক্স সম্পর্খে জানতে হলে এই তিনটি জিনিস সম্পর্খে জানা খুব জরুরি । আসুন জানি এগুলি আসলে কি?


ব্রকারঃ

যে কোম্পানির সাথে আপনি একাউণ্ট খুলবেন অর্থাৎ যে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আপনি কারেন্সি মার্কেটে লেনদেন করবেন তাকে ব্রকার বলে। অনেক ব্রকার আছে যার মধ্যে থেকে আপনাকে একটিকে বেছে নিতে হবে। তবে ভাল ব্রকার বাছাই করা সহজ নয়। এ ব্যাপারে পরে ব্রকার সম্পর্কে যখন আলোচনা করবো তখন দেখবো কিভাবে ও কোন কোন বিষয় বিবেচনা করে ভাল ব্রকার বাছাই করা যায়।

লেভারেজঃ


যে পরিমাণ ডলার আছে তার চেয়ে বেশী পরিমাণের কেনা বেচার সুযোগকে লেভারেজ বলে। উদাঃ ১০০০ ডলার বিনিয়োগ করে যদি ২০০০ ডলারের ট্রেড করতে দেয় তাহলে লেভারেজ ১:২, যদি ১ লাখের ট্রেড করার সুযোগ পাওয়া যায় তাহলে লেভারেজ ১:১০০ (পড়ুন ১ এর জন্য ১০০)।

পিপঃ


কারেন্সিতে সবচেয়ে ছোট পরিবর্তনের ইউনিটের নাম পিপ। ১০০ সেন্ট (পয়সা) এ যেরকম ১ ডলার (টাকা) হয় সেরকম ১০০ পিপে ১ সেন্ট (পয়সা) হয়। এটি ক্ষুদ্র ইউনিট কিন্তু যখন কেনা বেচার পরিমাণ অনেক হয় তখন এই সামান্য পরিবর্তন ডলারের হিসেবে অনেক হয়। উদাঃ টাকায় ১ পিপ বৃদ্ধি পেলে ১ টাকায় লাভ হয় ১ পয়সার ১০০ ভাগের এক ভাগ কিন্তু ১ লটে (১ লাখ টাকায়) লাভ হয় ১০ টাকা। মনে করুণ EUR/USD 1.3050 থেকে বৃদ্ধি পেয়ে 1.3051 হল, তাহলে EUR/USD এর দাম ১ পিপ বৃদ্ধি পেল।
 


( চলবে। ) 

Friday, February 8, 2013

Posted by EARN MONEY ONLINE
| 12:49 PM
ফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিকফরেক্স বেসিক

Text Widget

Unordered List